হিমালয় কন্যা নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় ভ্রমণ গন্তব্য। বরফে ঢাকা হিমালয়, মনোরম পাহাড়ি প্রাকৃতি ও বর্ণাঢ্য সংস্কৃতি- সব মিলিয়ে নেপাল ভ্রমণ মানেই এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। প্রকৃতি ও সংস্কৃতির টানে বছরজুড়ে সারা পৃথিবী থেকে পর্যটকরা ছুটে আসেন এখানে। ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য গ্রিন বেল্ট এর রয়েছে ৩টি এক্সক্লুসিভ নেপাল ট্যুর প্যাকেজ। প্রতিটি প্যাকেজই সাজানো হয়েছে এমনভাবে, যাতে আপনার ভ্রমণ হয় আরও নির্ভার, উপভোগ্য ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।
Travely এর বিশেষত্ব হলো- আমরা মূলত কাজ করি ফ্যামিলি ট্যুর নিয়ে। ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেট ট্যুরের জন্যও দেশের শীর্ষস্থানীয় মাল্টিন্যাশনাল হাউজগুলো ভরসা রেখেছে আমাদের উপর।
নেপাল ট্যুরের ক্ষেত্রে গ্রিন বেল্ট এর রয়েছে কাস্টমাইজড প্ল্যানিং-এর সুবিধা। ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরে সময় ও বাজেট—এই দুইটি বিষয়কে একসাথে সমন্বয় করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের প্যাকেজগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে আপনার সময় ও বাজেট দুটোই ঠিকভাবে ব্যালান্স হয়।
ফ্যামিলি এবং কাপলদের কথা বিবেচনায় রেখে গ্রিন বেল্ট এর ৫টি আলাদা নেপাল ট্যুর প্যাকেজ রয়েছে। ন্যূনতম ২ জন হলে যেকোনোদিন যেতে পারছেন নেপাল ভ্রমণে।
|
54,500 BDT
জনপ্রতি
|
|
63,500 BDT
জনপ্রতি
|
➤ নেপাল ট্যুর এর জন্য কয়দিন যথেষ্ট?
নেপালে বিভিন্ন রকম ট্যুর হয়। যারা পর্বতারোহী তাদের জন্য মাউন্টেনিয়ারিং। যারা এক্সট্রিম এডভেঞ্চার পছন্দ করে, তাদের জন্য আছে ট্রেকিং ট্যুর। আর যারা ফ্যামিলি সহ রিলাক্সে ঘুরতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য আছে সাইটসিয়িং ট্যুর। সাইটসিয়িং ট্যুরের ক্ষেত্রে নেপালের উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখতে অন্তত ১৫ থেকে ২৫ দিন সময় লাগে। তবে আমাদের প্যাকেজগুলো তৈরি করেছি মধ্যবিত্ত ভ্রমণপ্রেমীদের সময় ও বাজেট- দুটোই মাথায় রেখে। আমরা সাজেস্ট করি ৩ থেকে ৭ দিনের ট্যুর প্যাকেজগুলো বেছে নিতে।
➤ নেপাল এর ভিসা কীভাবে পাবেন?
বাংলাদেশীদের জন্য নেপাল ভ্রমণে ভিসার প্রয়োজন হয়না। ভিসা অন অ্যারাইভাল পাওয়া যায়।
➤ কতদিন আগে নেপাল ট্যুর প্যাকেজ বুক করা উচিত?
ট্যুরের কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ দিন আগে নেপাল ট্যুর বুক করা উচিত। এতে তাড়াহুড়ো হয়না। কাছাকাছি সময়ে বুক করলে এয়ারফেয়ার বেশি হতে পারে। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত খরচ ট্যুর প্যাকেজের সাথে যুক্ত হবে।
➤ ইমিগ্রেশনের জন্য কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন?
ন্যূনতম ৬ মাস মেয়াদসহ বৈধ পাসপোর্ট, রাউন্ড ট্রিপ এয়ার টিকিট, হোটেল বুকিং, সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি, ব্যাবসায়ীদের ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স কপি, চাকরিজীবী হলে এনওসি। এছাড়া ডুয়েল কারেন্সি কার্ড (পাসপোর্টে ডলার এন্ডর্সমেন্ট সিল), সদ্য বিবাহিত কাপলদের ক্ষেত্রে ম্যারেজ সার্টিফিকেট এর সফট কপি সাথে রাখতে পারেন।
➤ কি কি সঙ্গে নেওয়া উচিত?
এয়ারলাইন্সের সাধারণ নীতিমালা অনুযায়ী একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ৭ কেজি হ্যান্ড ব্যাগ ও ২০ কেজি চেক-ইন লাগেজ নিতে পারবেন। এছাড়াও সাথে রাখুন হালকা ও আরামদায়ক পোশাক, হাঁটার উপযোগী জুতা, সানস্ক্রিন, প্রয়োজনীয় ব্যাক্তিগত ওষুধ এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইসের জন্য আন্তর্জাতিক অ্যাডাপ্টার।
➤কেন গ্রিন বেল্টকেই বেছে নেবেন?
২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করার পর থেকে গ্রিন বেল্ট বাংলাদেশ ও বিদেশে ১ লক্ষেরও বেশি ভ্রমণকারীকে ভ্রমণ সহায়তা দিয়েছে। কর্পোরেট গ্রুপ, ফ্যামিলি কিংবা কাপল – সবাই আমাদের নেপাল ট্যুর প্যাকেজ এ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
বাংলাদেশের কিছু নামকরা প্রতিষ্ঠান আমাদের মাধ্যমে ট্যুর করেছেন। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে: বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, কোকা-কোলা (আব্দুল মোনেম লি.), ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, টেকনোভিস্টা, এবং নামকরা হাসপাতাল যেমন—পঙ্গু হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল ও আসগর আলী মেডিকেল।
➤ নেপাল ট্যুর প্যাকেজ বুক করবেন কীভাবে?
খুব সহজে- ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ অথবা সরাসরি অফিসে এসে আপনার নেপাল ট্যুর প্যাকেজ বুক করতে পারবেন।
কাঠমান্ডু—নাগরকোট ║ ৩ রাত ৪ দিন
মোট ভ্রমণ খরচ: ৫৪,৫০০ টাকা
খরচ এর বিস্তারিত:
ট্যুর প্যাকেজ: ২০,০০০ টাকা
ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকা এয়ার টিকিট: ৩৪,৫০০ টাকা
১ম দিন: কাঠমান্ডু এয়ারপোর্টে পৌঁছানোর পর আমাদের প্রতিনিধি আপনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবে। সেখান থেকে প্রাইভেট ট্রান্সপোর্টে যাত্রা শুরু হবে পাহাড়ি শহর নাগরকোটের উদ্দেশ্যে। চারপাশে ছড়িয়ে থাকা পাহাড়ের অপরূপ দৃশ্য আপনাকে মুগ্ধ করবে শুরু থেকেই। বিকেল ও সন্ধ্যার সময়টা উপভোগ করতে পারবেন নাগরকোটের শান্ত পরিবেশে হেঁটে বেড়িয়ে। রাতে নাগরকোটেই অবস্থান করবো।
২য় দিন: এই দিনটা শুরু হবে হিমালয়ের কাঙ্খিত সূর্যোদয় দেখার মধ্য দিয়ে। ব্রেকফাস্টের পর আমাদের সাইটসিয়িং শুরু হবে। শুরুতে আমরা নাগরকোটের বিভিন্ন পাহাড়ি ভিউপয়েন্ট ঘুরে দেখবো, এরপর সরাসরি চলে যাবো কাঠমান্ডুতে। কাঠমান্ডুতে আমরা ভক্তপুর দরবার স্কয়ার, পাতন দরবার স্কয়ার ও কাঠমান্ডু দরবার স্কয়ার ঘুরে হোটেলে চলে আসবো। বিকেলটা কাঠমান্ডুর আনন্দময় রাস্তায় নিজের মতো করে ঘুরে বেড়াবো। স্ট্রিটফুড স্বাদ নেওয়া ও স্ট্রিট শপিংও করে নিতে পারবো। রাতে কাঠমান্ডুতেই অবস্থান।
৩য় দিন ব্রেকফাস্টের পর আমাদের কাঠমান্ডু সাইটসিয়িং শুরু হবে। প্রথমে চলে যাবো চন্দ্রগিরি হিলস’এ। এখানে চাইলে আপনি ক্যবলকার রাইড নিতে পারবেন। এরপর আমরা শ্যাম্ভুনাথ স্তুপা-হনুমান মন্দির ও আশেপাশে ঘুরে দেখবো। সাইটসিয়িং শেষে আমরা হোটেলে ফিরবো। বিকেলটা নিজের মতো করে উপভোগের জন্য বরাদ্দ থাকবে। রাতে কাঠমান্ডুতে অবস্থান করবো।
৪র্থ দিন: ট্রিপের শেষ সকাল। নাস্তা শেষে নির্ধারিত সময়ে আমরা রওনা হবো কাঠমান্ডু বিমানবন্দরের পথে, ঢাকা ফেরার ফ্লাইট ধরতে। সাথে থাকবে হিমালয়ের পর্বতশৃঙ্গ, নেপালের সাংস্কৃতিক উষ্ণতা, একাধিক শহরে কাটানো দারুণ সব মুহূর্ত – অসাধারণ অভিজ্ঞতা ও আনন্দময় স্মৃতি। যা মনে থাকবে অনেকদিন।
কাঠমান্ডু—নাগরকোট—পোখরা ║ ৪ রাত ৫ দিন
মোট ভ্রমণ খরচ: ৬৩,৫০০ টাকা
খরচ এর বিস্তারিত:
ট্যুর প্যাকেজ: ২৯,০০০ টাকা
ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকা এয়ার টিকিট: ৩৪,৫০০ টাকা
১ম দিন: কাঠমান্ডু এয়ারপোর্টে পৌঁছানোর পর আমাদের প্রতিনিধি আপনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবে। সেখান থেকে প্রাইভেট ট্রান্সপোর্টে যাত্রা শুরু হবে পাহাড়ি শহর নাগরকোটের উদ্দেশ্যে। চারপাশে ছড়িয়ে থাকা পাহাড়ের অপরূপ দৃশ্য আপনাকে মুগ্ধ করবে শুরু থেকেই। বিকেল ও সন্ধ্যার সময়টা উপভোগ করতে পারবেন নাগরকোটের শান্ত পরিবেশে হেঁটে বেড়িয়ে। রাতে নাগরকোটেই অবস্থান করবো।
২য় দিন: দিনটা শুরু হবে হিমালয়ের কাঙ্খিত সূর্যোদয় দেখার মধ্য দিয়ে। ব্রেকফাস্টের পর আমরা রওনা করবো পোখরা এর উদ্দেশ্যে। পোখরা যাওয়ার পথে আমরা থামবো চন্দ্রগিরি হিলস’এ। যেখানে ক্যাবলকার রাইড ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য জিপ লাইনিং উপভোগের সুযোগ থাকবে। এরপর পোখরার পথে আবার আমাদের যাত্রা শুরু হবে। রাতে পোখরাতেই অবস্থান করবো।
৩য় দিন: এদিন ভোর ৫টায় হোটেল থেকে যাত্রা শুরু হবে সারাংকোটের উদ্দেশ্যে। এখান থেকেই উপভোগ করবো হিমালয়ের অপূর্ব সূর্যোদয়। এক এক করে অন্নপূর্ণা রেঞ্জ, মাছেপুচ্ছারে, ধউলাগিরি ও নীলগিরি পর্বতচূড়ায় প্রথম সূর্যের আলো পড়তে দেখা যাবে। আর সেই আলোয় ঝলমল করবে পাহাড়ের শিখরগুলো। চারপাশের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ শেষে আমরা হোটেলে ফিরে আসবো। ফ্রেশ হয়ে ব্রেকফাস্ট শেষে কিছুটা সময় বিশ্রাম নিয়ে আবার বের হবো সাইটসিয়িংয়ের উদ্দেশ্যে। এদিন পর্যায়ক্রমে ঘুরে দেখবো Devis Falls, Gupteshor Cave, World Peace Pagoda. এরপর চলে আসবো ফেউয়া লেকে। যেখানে চাইলে লেকসাইডে শপিং ও ঘোরাঘুরি উপভোগ করতে পারবেন। এই রাতটাও আমরা পোখরাতেই অবস্থান করবো।
৪র্থ দিন: ব্রেকফাস্ট এর পর আমরা রওনা করবো কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে। যাত্রাপথে আমরা গাড়ি থামিয়ে আমরা ঘুরে দেখবো শ্যাম্ভুনাথ স্তুপা ও পাতন দরবার স্কয়ার। এরপর কাঠমান্ডু শহরে এসে হোটেলে চেকইন করবো। বিকেলটা নিজের মতো করে উপভোগের জন্য বরাদ্দ থাকবে। রাতে কাঠমান্ডুতেই অবস্থান করবো।
৫ম দিন: ট্রিপের শেষ সকাল। নাস্তা শেষে নির্ধারিত সময়ে আমরা রওনা হবো কাঠমান্ডু বিমানবন্দরের পথে, ঢাকা ফেরার ফ্লাইট ধরতে। সাথে থাকবে হিমালয়ের পর্বতশৃঙ্গ, নেপালের সাংস্কৃতিক উষ্ণতা, একাধিক শহরে কাটানো দারুণ সব মুহূর্ত – অসাধারণ অভিজ্ঞতা ও আনন্দময় স্মৃতি। যা মনে থাকবে অনেকদিন।
অতিরিক্ত সংযোজন (Add-Ons): প্যাকেজের সাথে চাইলে কাঠমান্ডু, পোখরা বা নাগরকোটে অতিরিক্ত রাত যুক্ত করতে পারবেন।
কাঠমান্ডু: Hotel Apsara Boutique or similar
পোখরা Hotel Iceland or similar
নাগরকোট: Hotel View Point or similar (Mountain View Room)
বিশেষ নোট:
এটি একটি বাজেট-ফ্রেন্ডলি নেপাল ট্যুর প্যাকেজ। যেখানে আপনি পাবেন আরামদায়ক ও সুন্দরভাবে পরিকল্পিত ভ্রমণের অভিজ্ঞতা। আপনি চাইলে বাড়তি খরচ যুক্ত করে এই প্যাকেজকে লাক্সারি ক্যাটাগরিতেও আপগ্রেড করতে পারবেন।
➤ নেপাল ট্যুর প্যাকেজ বুকিংয়ের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। আপনি যেকোনো সময় বুক করতে পারেন। তবে শেষ মুহূর্তের বুকিংয়ে এয়ারফেয়ার বেড়ে যেতে পারে, সে ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খরচ প্যাকেজ প্রাইসের সাথে যুক্ত হবে।
➤ বুকিং কনফার্ম করতে জনপ্রতি ২৫,০০০ টাকা অগ্রিম প্রদান করতে হবে।
➤ চাইল্ড পলিসি: ৩৬ মাস থেকে ৮ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্যাকেজ মূল্যের ৪০% চার্জ প্রযোজ্য হবে। এয়ারটিকিট চার্জ এয়ারলাইন্সের ইনফ্যান্ট ও চাইল্ড পলিসি অনুসারে প্রযোজ্য হবে।